পশ্চিমবঙ্গ পরিচিতি: (Introduction to West Bengal).
পশ্চিমবঙ্গ হল ভারতের একটি অঙ্গ রাজ্য। ঊনবিংশ শতকের প্রথম দিকে বাংলা বলতে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, বিহার অসমকে বোঝাত। ১৯৭৮ সালে অসম ও ১৯১১ সালে বিহার ও উড়িষ্যা বাংলা থেকে আলাদা হয়ে যায়। তারপর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা হওয়ার পর বাংলার পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ। এরপর দেশীয় রাজ্য কোচবিহার ১৯৫০ সালে ও ফরাসি উপনিবেশ চন্দননগর ১৯৫৪ সালে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়। আবার ১৯৫৬ সালে যখন ভাষার ভিত্তিতে রাজ্যের গঠন হয় তখন বিহারের পুরুলিয়া ও কিশোরগঞ্জ মহকুমা পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত হয়। ছিট মহল এলাকা পশ্চিমবঙ্গের আন্তর্জাতিক সীমানা বাইরে বাংলাদেশ এর সাথে ভারতের অংশ হিসেবে রয়ে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গ👉পশ্চিমবঙ্গের নামাকরণ:
বাংলা বা বঙ্গ নামের সঠিক উত্তর এখনো জানা যায়নি। বিভিন্ন মত অনুসারে, এই অঞ্চলে বসবাসকারী দ্রাবিড় উপজাতির ভাষা থেকে এসেছে। বঙ্গ নামটি সংস্কৃত সাহিত্যে অনেক জায়গায় রয়েছে তবে এখানকার প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায়নি। দেশ যখন স্বাধীন হয় তখন এই রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গের ছিল, তবে সরকারিভাবে ওয়েস্টবেঙ্গল প্রচলিত ছিল। ২০১১ সালে যখন মমতা ব্যানার্জি ক্ষমতায় আছে তখন পশ্চিমবঙ্গের নাম Paschimbanga রাখার প্রস্তাব দেয়। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নাম রাখার প্রস্তাব করা হয় বাংলা, ইংরেজিতে বেঙ্গল আর হিন্দিতে বাঙাল। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের অনুমোদন পায়নি। আবার ২০১৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের নাম বাংলা হিন্দী ও ইংরেজী তে বাংলা রাখার প্রস্তাব বিধানসভায় সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এখন কেন্দ্র সরকারের অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায়।
👉পশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক অবস্থান:
অক্ষাংশ পশ্চিমবঙ্গ দক্ষিনে ২১° ৩০′ উত্তর অক্ষাংশ থেকে উত্তরে ২৭° ১৪′ উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
কর্কটক্রান্তি রেখা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমান এবং নদীয়া জেলার উপর দিয়ে বিস্তৃত। দ্রাঘিমাংশ পশ্চিমবঙ্গ পশ্চিমে ৮৬° ৩০′ পূর্ব দ্রাঘিমা থেকে পূর্ব দিকে ৮৯° ৫৩′ পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত বিস্তৃত। ক্ষেত্রফল রাজ্যের মোট আয়তন ৮৮,৭৫২ বর্গকিলোমিটার (৩৪,২৬৭ বর্গমাইল)। আয়তনের দিক থেকে পশ্চিমবঙ্গ ভারতের ১৪ তম বড় রাজ্য, যা ভারতের মোট আয়তনের ২% এলাকা দখল করে আছে। সীমানা পশ্চিমবঙ্গের উত্তরে আছে সিকিম রাজ্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভুটান, দক্ষিনে আছে বঙ্গোপসাগর, পূর্বে আছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী রাজ্য অসম মেঘালয় এছাড়াও পশ্চিমে আছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপাল ও প্রতিবেশী রাজ্য বিহার,উড়িষ্যা। পশ্চিমবঙ্গের সাথে সবচেয়ে বেশি সীমানা দখল করা রাজ্য হল ঝাড়খন্ড।
👉পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক বিভাগ:
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ২৩ টি জেলা পাঁচটি বিভাগে বিন্যস্ত, সেগুলি হল:-
১. জলপাইগুড়ি বিভাগ:-আলিপুরদুয়ার,কালিম্পং,কোচবিহার,জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলা।
২.মালদা বিভাগ:-
উত্তর দিনাজপুর,মালদহ,মুর্শিদাবাদ,ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা।
৩.বর্ধমান বিভাগ:-
পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও হুগলী জেলা।
৪.প্রেসিডেন্সি বিভাগ:-
উত্তর চব্বিশ পরগণা, কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, নদিয়া ও হাওড়া জেলা।
৫. মেদিনীপুর বিভাগ:-
পশ্চিম মেদিনীপুর,পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর ষ, বাঁকুড়া ও ঝাড়গ্রাম জেলা।
👉পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি:-
১৯৭৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে পরাজিত করে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। এরপরই রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক রাজনৈতিক পরিবর্তন সূচিত হয় যা বাংলার শাসন পরিকাঠামােয় ব্যাপক প্রভাব ফেলে। কিন্তু ২০০৮ সালের পঞ্চায়েত, ২০০৯ সালের লােকসভা ও ২০১০ সালের পৌরনির্বাচনে শাসক বামফ্রন্টের আসন সংখ্যা ক্রমশ কমতে থাকে। আবার শিল্পায়নের জন্য কৃষি জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে শাসক দলের সঙ্গে স্থানীয় অধিবাসীদের একাধিক সংঘর্ষ ঘটতে থাকে। অবশেষে ২০১১ সালের বামফ্রন্ট সরকার তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়। এইভাৱে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান ঘটে।
👉পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকলা:-
পােড়ামাটির শিল্পকলা হলাে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পকলার নিদর্শন। বিষ্ণুপুরের জোড় বাংলা, পঞ্চরত্ন, নবরত্ন মন্দিরগুলােয় এর নিদর্শন আছে। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার পােড়ামাটির পুতুল, হস্ত শিল্পের এক উলেখযােগ্য উদাহরণ। পটচিত্র, বাংলার সব থেকে প্রাচীন চিত্রকলা। এর মাধ্যমে বাংলার ভৌগােলিক পরিবেশ, বা প্রাচীন গল্পকথা তুলে ধরা হয়।
👉পশ্চিমবঙ্গের নদ নদী:-
- উত্তরের নদ - নদী: তিস্তা, তাের্সা, মহানন্দা, রায়ঢাক, জলঢাকা প্রভৃতি।
- সমভূমি অঞ্চলের নদ - নদী: গঙ্গা।
- পশ্চিমের মালভূমি অঞ্চলের নদ - নদী: দামােদর, সুবর্ণরেখা, অজয়, ময়ূরাক্ষী, রূপনারায়ণ, কংসাবতী প্রভৃতি।
- দক্ষিণে সুন্দরবন অঞ্চলের নদ - নদী: মাতলা, ইচ্ছামতী, গােসাবা, বিদ্যাধরী, পিয়ালী, ঠাকুরান, সপ্তমুখী, কালিন্দী প্রভৃতি।
👉পশ্চিমবঙ্গের প্রধান প্রধান ভাষা:-
পশ্চিমবঙ্গের প্রধান ভাষা বা সরকারি ভাষা হল বাংলা। তবে হিন্দি, নেপালি, সাঁওতালি, উর্দু ও ওড়িয়া ভাষারও প্রচলন আছে।
👉পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়া:-
পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন রকম আবহাওয়া বিরাজ করে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ ও শীত এই চারটি ঋতুই এখানের প্রধান ঋতু। গ্রীষ্মকালের তাপমাত্রা থাকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতাে এবং শীতকালের গড় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির মতাে থাকে। দক্ষিণ - পূর্ব দিক থেকে উত্তর - পশ্চিম দিকে বয়ে যাওয়া মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এখানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ২৫০ সেন্টিমিটার এর মতাে বৃষ্টিপাত হয়। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে সমুদ্র উপকূলে প্রবল ঝড় বৃষ্টি হয়। শীতকালে মাঝে মাঝে দার্জিলিঙে তুষারপাত হয়।
👉পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা:-
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার আসনসংখ্যা হল ২৯৫ টি। এর মধ্যে একটি আসন থাকে একজন অ্যাংলাে - ইন্ডিয়ান সদস্যএর জন্য এবং বাকি ২৯৪ টি আসনএর জন্য বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী সরাসরি নির্বাচিত হয়ে আসে। প্রতি ৫ বছর অন্তর বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য নিবার্চন হয়। বিজয়ী প্রার্থীকেই বিধায়ক হিসাবে নির্বাচন করা হয়। ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়। ২০২১ সালে বর্তমান বিধানসভা নির্বাচনটি হয়।
👉পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহাসিক স্থান:-
- মুর্শিদাবাদ: সমগ্র শহর জুড়েই রয়েছে প্রাচীন বাংলার নবাবদের কর্মকান্ড ও ইতিহাস। হাজার দুয়ারী রাজপ্রাসাদ, খােশবাগ, বড়া ইমামবরা, কাটরা মসজিদ, মােতিঝিল, কাশিমবাজার রাজবাড়ী সর্বাধিক আকর্ষণীয়।
- চন্দ্রকেতুগড়: চন্দ্রকেতুগড় পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় অবস্থিত। চন্দ্রকেতুগড়ের প্রত্নতাত্ত্বিক প্রাচীনত্ব ও গুরুত্বের জন্য এক বিশেষ পর্যাটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে “ আশুতােষ সংগ্রহশালা ” তৈরী হয়, পােড়ামাটি ও অন্যান্য শিল্প - নিদর্শন সর্বাধিক আকর্ষণীয়।
- পান্ডুয়া এবং গৌর: গৌড় ও পান্ডুয়া মালদহ জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক নিদর্শনবাহি গ্রাম। পান্ডুয়ার শহরতলি শেখ জালালুদ্দীন তাবরিজি দরবেশ নূর কুতুব আলম দরবেশ, প্রাচীন মসজিদ, মিনার, প্রাসাদ গৌড়ের পিয়াস বারি তাতিপাড়া মসজিদ, ৩৩ একর ব্যাপ্ত দিঘি, বৈষ্ণবতীর্থ রামকেলি, মদনমােহন জিউ মন্দির, ৮ টি কুণ্ড, ছােটসােনা মসজিদ, নেক বিবির সমাধি, লােটন মসজিদ, চিকা মসজিদ, দাতন মসজিদ, লুকোচুরি গেট, বাইশগজি প্রাচীর, কোতােয়ালি দরওয়াজা, পর্যটকদের আকৃষ্ট করে।
👉পশ্চিমবঙ্গের অভয়ারণ্য:-
- সুন্দরবন ন্যাশনাল পার্ক(দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা): সুন্দরবন বঙ্গোপসাগরের উপকূলের একটি প্রশস্ত বনভূমি এবং অভয়ারণ্য। এই বনভূমি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার এর জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও নানান ধরনের পাখি, কুমির, হরিণ, সাপ, বুনােশুয়াের, মেছােবিড়াল প্রভৃতি অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল।
- ডুয়ার্স: শিলিগুড়ি থেকে সামান্য দূরে ভুটান সংলগ্ন এলাকায় হলাে ডুয়ার্স। ছােটো বড়াে পাহাড়, শাল, তাছাড়াও আছে সেগুনের জঙ্গল, প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। তাছাড়াও আছে গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্প, সিঙ্গলিলা জাতীয় উদ্যান, বক্সা ফোর্ট, হাসিমারা, গজলডােবা প্রভৃতি জায়গা।
- জলদাপাড়া ন্যাশনাল পার্ক (আলিপুরদুয়ার): তাের্সা নদীর তীরে অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। এই বনভূমি এক শৃঙ্ঘ গন্ডারের জন্য বিখ্যাত।
👉পশ্চিমবঙ্গের পাহাড়:-
- গড়পঞ্চকোট ও পুরুলিয়া: উত্তরদিকে আছে পাঞ্চেত পাহাড়। শাল, মহুয়া জঙ্গলে সবুজের সমাহারে ঘেরা জায়গাটি কিছুদিনের জন্য ছুটি কাটানাের একটু আদর্শ জায়গা। এটি ছিল প্রাচীনকালে পঞ্চকোট রাজাদের রাজধানী।
- শুশুনিয়া পাহাড়: শুশুনিয়া পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার অবস্থিত। সবুজে ঢাকা এই পাহাড়ের ঘন জঙ্গলে বিশেষ পশু পাখির দেখা মেলে।
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পাহাড় হল পুরুলিয়া জেলার অযোধ্যা, বাঘমুন্ডি ও পাঞ্চেৎ, বাঁকুড়া জেলার বিহারীনাথ, বীরভূমের মামাভাগ্নেপাহাড় প্রভৃতি। অযোধ্যা পাহাড়ের গোগরাবুরু পশ্চিমবঙ্গের মালভূমি অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ। গোগরাবুরু শৃঙ্গের উচ্চতা ৬৭৭ মি।
👉পশ্চিমবঙ্গের জনঘনত্ব:-
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে প্রতি বর্গ কিমিতে ১১২৯ জন লােক বাস করে।
👉পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষার হার:-
সাক্ষরতার হার পশ্চিমবঙ্গে ৭৬.২৬ % ভারতের জাতীয় গড় সাক্ষরতা হারের থেকে ৭৪.০৪ % বেশি ভারতের সব রাজ্যগুলির মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের স্থান সাক্ষরতার হারের দিক দিয়ে ২০তম। মহিলা সাক্ষরতার হারের দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ ষষ্ঠ স্থানে আছে ( ৮৭.৭ % )।
👉পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্ঘ:-
পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের নাম হল সান্দাকফু, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে যার উচ্চতা প্রায় ৩,৬৩৬ মিটারের মতাে। এটি সিঙ্গালিলা পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যেটি ভারত ও নেপালের সীমান্তে আছে।
👉পশ্চিমবঙ্গের বিমানবন্দর:-
পশ্চিমবঙ্গে ২ টি আন্তর্জাতিক এবং ৬ টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ৫ টি সামরিক বিমানবন্দর আছে।
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
সামরিক বিমানবন্দর:
পশ্চিমবঙ্গের উৎসব:-
শারদীয়া দুর্গাপূজা পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব। অন্যান্য উৎসবগুলির মধ্যে কালিপূজা, সরস্বতী পূজা, দোলযাত্রা, রথযাত্রা, পয়লা বৈশাখ, ভাতৃ দ্বিতীয়া উৎসব, জয়দেব কেন্দুলী মেলা মহাসমারােহে পালন করা হয়।
- নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর(দমদম, কলকাতা)।
- বাগডােগরা বিমানবন্দর ( শিলিগুড়ি )।
- কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর।
- বালুরঘাট বিমানবন্দর।
- বার্ণপুর বিমানবন্দর।
- মালদা বিমানবন্দর।
- কোচবিহার বিমানবন্দর।
- বেহালা ফ্লাইং ক্লাব।
সামরিক বিমানবন্দর:
- হাসিমারা বিমানঘাঁটি।
- কলাইকুন্ডা বিমানঘাঁটি।
- পানাগড় বিমানঘাঁটি।
- ব্যারাকপুর বিমানবাহিনী স্টেশন।
- সালুয়া বিমানঘাঁটি।
পশ্চিমবঙ্গের উৎসব:-
শারদীয়া দুর্গাপূজা পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে বড় উৎসব। অন্যান্য উৎসবগুলির মধ্যে কালিপূজা, সরস্বতী পূজা, দোলযাত্রা, রথযাত্রা, পয়লা বৈশাখ, ভাতৃ দ্বিতীয়া উৎসব, জয়দেব কেন্দুলী মেলা মহাসমারােহে পালন করা হয়।

Online Casino » Bonus & Games | Másquito de Para Cuma
উত্তরমুছুনYou'll find lots https://septcasino.com/review/merit-casino/ of great casino games and a whole host of bonuses for new players. From online https://www.communitykhabar.com slots to table games, here are https://shootercasino.com/merit-casino/ a few aprcasino things www.ambienshoppie.com