দ্রবণ কি? দ্রবণের প্রকার ভেদ: (Solution).
দুই বা ততোধিক পদার্থের সমসত্ত্ব মিশ্রণের প্রতিটি অংশের উপাদান, গঠন এবং ধর্ম যদি একই থাকে এবং উপাদানগুলির আপেক্ষিক পরিমাণ যদি একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত বাড়ানো যায়, তাহলে ওই মিশ্রণকে দ্রবণ বলে।
দ্রাব ও দ্রাব্যকের সমস্বত্ত্ব মিশ্রণ হল দ্রবণ।দ্রাব (Solute):
দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানটি কম পরিমাণে থাকে এবং যে উপাদানটিকে অন্য কোন পদার্থে মেশালে উপাদানটি মিশে গিয়ে একটি সমসত্ত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে, তাকে দ্রাব বলে।
যেমন:- জল ও লবণের দ্রবণে, লবণ হল দ্রাব ও জল হল দ্রাবক।
দ্রাবক (Solvent):
দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানটির পরিমাণ বেশি থাকে এবং দ্রবণটির ভৌত অবস্থা উপাদানটির ভৌত অবস্থার মত হয়, তাকে দ্রাবক বলে।
জল হল অজৈব দ্রাবক। জলকে সার্বজনীন দ্রাবকও বলা হয়।
কয়েকটি জৈব দ্রাবক ও দ্রবীভূত পদার্থ যেগুলি জলে অদ্রাব্য:
দ্রবণের প্রকার ভেদ:
গাড়ত্ব অনুযায়ী দ্রবণ তিন প্রকার →
সম্পৃক্ত দ্রবণ: কোন নির্দিষ্ট উষ্ণতায় কোন নির্দিষ্ট দ্রাবকের মধ্যে কোন দ্রাব্য সর্বোচ্চ পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে দ্রবণ উৎপন্ন করলে তাকে সম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।
সম্পৃক্ত দ্রাবের পরিমাণ তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে:
(i) দ্রাব ও দ্রাবকের প্রকৃতি।
(ii) উষ্ণতা।
(iii) দ্রাবকের পরিমাণ।
অসম্পৃক্ত দ্রবণ: সম্পৃক্ত হওয়ার পূর্ব অবস্থায় দ্রবণের অবস্থাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।
অতিপৃক্ত দ্রবণ: সম্পৃক্ত দ্রবণের থেকেও বেশি পরিমাণ দ্রাব দ্রবীভূত থাকলে তাকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলে।
এই ঘটনা সোডিয়াম বাই সালফেট (NaHSO4, 5H2O) -এর ক্ষেত্রে দেখা যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন for "দ্রবণ কি? দ্রবণের প্রকার ভেদ: (Solution)."