অ্যানাবেটিক বায়ু ও ক্যাটাবেটিক বায়ু: (Anabalic air and Katabtic air).

অ্যানাবেটিক বায়ু:

দিনের বেলা সূর্যের তাপে পর্বতের ঢালের ওপরের বায়ু যে পরিমাণ উয় হয়, উপত্যকার মাঝের অংশের বায়ু ততটা উষ্ণ হয় না, বরং কিছুটা শীতলই থাকে। এর ফলে এই উষ্ণ ও হালকা বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর নীচ থেকে ওপরের দিকে ওঠে। এরই নাম অ্যানাবেটিক বায়ু বা উপত্যকা বায়ু।

ক্যাটাবেটিক বায়ু:
রাতের বেলা পর্বতের ঢালের উপরিস্থিত বায়ু তাড়াতাড়ি তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়ে যায়। এই উচ্চচাপের ভারী বায়ু পর্বতের ঢাল বরাবর ওপর থেকে নীচে নেমে উপত্যকায় অবস্থান করে। এই বায়ুকে ক্যাটাবেটিক বায়ু বা পার্বত্য বায়ুও বলা হয়।



অ্যানাবেটিক বায়ু ও ক্যাটাবেটিক বায়ুর প্রভাব:
এই বায়ুর প্রভাবেই উপত্যকায় বৈপরীত্য উষ্ণতার সৃষ্টি হয়।

অ্যানাবেটিক বায়ু ও ক্যাটাবেটিক বায়ুর উদাহরণ:
হিমাচল প্রদেশের কুলু ও কাংড়া উপত্যকার মাঝের অংশের তুলনায় পর্বতের উঁচু ঢালে জনবসতি কিছুটা বেশি দেখা যায়। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন for "অ্যানাবেটিক বায়ু ও ক্যাটাবেটিক বায়ু: (Anabalic air and Katabtic air)."