সেন্ট্রাল ভিজিলান্স কমিশন: (Central Vigilance Commission).
কেন্দ্রীয় সরকার দুর্নীতি রোধের উদ্দেশ্যে সাস্থানাম কমিশনের সুপারিশে ১৯৬৪ সালে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যনির্বাহী রেজোলিউশন দ্বারা স্থাপন করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে এটি কোনো সাংবিধানিক সংস্থা বা বিধিবদ্ধ সংস্থা ছিল না। ২০০৩ সালে সংসদ আইন পাশ করে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনকে বিধিবদ্ধ সংস্থার মর্যাদা প্রদান করে। ২০০৪ সালে এটি ‘পাবলিক ইন্টারেস্ট ডিসক্লোজার অ্যান্ড প্রোটেকশন অফ ইনফর্মার্স রেজোলিউশন’ - এর অধীনে দুর্নীতির অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত করত। এছাড়া এটি উদ্বেগজনক ও অনুপ্রাণিত হয়েও দুর্নীতির তদন্ত করতে পারত। এটি প্রধান সংস্থা যা সবধরনের কেন্দ্রীয় সরকারের ভিজিল্যান্স কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালায়।
সেন্ট্রাল ভিজিলান্স কমিশনের গঠন:
এটি একজন চিফ ভিজিল্যান্স কমিশনার এবং অন্যান্য দু'জন ভিজিল্যান্স কমিশনার নিয়ে গঠিত। তাঁরা রাষ্ট্রপ্রপতির দ্বারা নিযুক্ত হতেন তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সুপারিশে। এই কমিটির প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বাকি দুই সদস্য হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা। সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের সদস্যরা চার বছর অথবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত পদে বহাল থাকতে পারেন এবং তাদের মেয়াদ পূরণের পর তারা কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের অধীনে কর্মরত হতে পারেন না।
নিম্নলিখিত কারণগুলির জন্য রাষ্ট্রপতি সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনার বা অন্যান্য দু’জন ভিজিল্যান্স কমিশনারকে তাঁদের পদ থেকে সরাতে পারেন :
- যদি তিনি দেউলিয়া সাব্যস্ত হন।
- কেন্দ্রীয় সরকারের বিচারে তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন।
- যদি তিনি তাঁর কর্মরত অবস্থায় অন্য কোনো জায়গায় মাসিক ভাতার ভিত্তিতে কর্মচারী হন।
- রাষ্ট্রপতির বিচারে তিনি অসুস্থতাজনিত কারণে কার্যের চাপ সামলাতে অপারগ হন।
- যদি তিনি অর্থনৈতিক বা অন্যান্য সুবিধার লোভে তার কার্যকে প্রভাবিত করেন।
তাঁরা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে দুর্ব্যবহারের জন্য দোষী সাব্যস্ত হতে পারে :
- কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো চুক্তির ব্যাপারে তার স্বার্থ জড়িয়ে থাকে।
- সেই চুক্তি থেকে লাভের বিষয়ে কৌতুহল থাকে এবং সুবিধা নিতে আগ্রহী হয়।
চিফ ভিজিল্যান্স কমিশনারের ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের সমান হয় এবং বাকি দু'জন ভিজিল্যান্স কমিশনারের ভাতা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের সমান হয়। কিন্তু কখনোই তাদের ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ সুবিধা তাঁদের নিয়োগের পর কেড়ে নেওয়া যায় না।
সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের অধীনে থাকা বিভিন্ন সংগঠন:
সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের নিজস্ব সেক্রেটারিয়েট, চিফ টেকনিক্যাল এগজামিনার্স উইং এবং কমিশনার্স ফর ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারিজ উইং।
● সেক্রেটারিয়েট: - সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় একজন সচিব, যুগ্মসচিব, ডেপুটি সচিব, অধীনস্ত সচিব এবং অফিস কর্মচারী দ্বারা গঠিত।
● চিফ টেকনিক্যাল এগজামিনার্স উইং: - এটি সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের প্রযুক্তি শাখা। এটি প্রধান ইঞ্জিনিয়ার্স এবং কয়েকজন সহকারি ইঞ্জিনিয়ার্স নিয়ে গঠিত।
এর প্রধান কাজ হল:—
১. ভিজিল্যান্সের দিক থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি সংগঠনগুলির নির্মাণ কার্যের প্রযুক্তিগত অডিট করা।
২. নির্মাণ কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ মামলার অভিযোগের তদন্ত করা।
৩. প্রযুক্তিগত বিষয়ে সিবিআইকে তাদের তদন্তে সহযোগিতা করা এবং দিল্লিতে সম্পত্তির মূল্যায়ন করা।
৪. প্রযুক্তিগত বিষয়ে ভিজিল্যান্স মামলায় সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন এবং চিফ ভিজিল্যান্স অফিসারকে সহায়তা প্রদান করা।
● কমিশনার্স ফর ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারিজ উইং: - কোনো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দপ্তরগত তদন্তের জন্য মৌখিক জিজ্ঞাসাবাদ করে থাকে এই শাখার অফিসাররা।
সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের কাজ:
১৯৮৮ - এর দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে কোনো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করতে পারে।
১৯৮৮ - এর দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে যে কোনো কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত করতে পারে।
১৯৮৮ - এর দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে সিবিআইকে সহায়তা প্রদান করা। এছাড়া সিবিআই - এর মামলার গতিপ্রকৃতির পর্যালোচনা করতে পারে।
১৯৮৮ - এর দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে অভিযোগের গতিপ্রকৃতির পর্যালোচনা করতে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকারকে বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে পরামর্শ প্রদান করতে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রকের বিষয়ে অধীক্ষক করতে পারে।
জনস্বার্থের ভিত্তিতে গ্রহণ করা বিভিন্ন অভিযোগের তদন্ত করতে পারে।
কেন্দ্রীয় সরকারি এবং সর্বভারতীয় চাকরি ক্ষেত্রে ভিজিল্যান্স এবং নিয়মানুবর্তিতার ক্ষেত্রে কোনো আইন প্রণয়ন করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারকে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের সহিত আলোচনা করতে হবে।
২০০২ সালে প্রিভেন্টিং অফ মানি লান্ডারিং অ্যাক্টের বলে সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে পারে।
ডিরেক্টর অফ এনফোর্সমেন্ট নিয়োগের ক্ষেত্রে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনার ও দু'জন ভিজিল্যান্স কমিশনার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব ও অর্থ মন্ত্রকের রাজস্ব সচিবের সঙ্গে আলোচনা করে থাকে।
২০১৩ সালের লোকপাল এবং লোকায়ুক্ত আইনের বলে ২০০৩ সালের সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের আইনে নিম্নলিখিত পরিবর্তন করা হয় :
১. সিবিআই - এর অধীনে ডিরেক্টরেট অফ প্রসিকিউশনের মাধ্যমে প্রসিকিউশন নিযুক্ত করতে কেন্দ্রীয় সরকারকে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের সুপারিশ গ্রহণ করতে হয়।
২. সিবিআই - এর ডিরেক্টর ব্যতীত এসপি ও উচ্চপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে সুপারিশ প্রদানকারী সিলেকশন কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সচিব এবং কর্মীবৃন্দ ও ট্রেনিং ও ট্রেনিং দপ্তরের সঙ্গে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনার এবং দু'জন ভিজিল্যান্স কমিশনার স্থান পায়।
৩. কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিক দ্বারা A , B , C , D গ্রুপে কার্যরত তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে লোকপাল কমিশনকে অনুমতি প্রদান করতে পারে। এই প্রাথমিক রিপোর্ট তারা লোকপালকে প্রদান করে।
সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনের এক্তিয়ার:
১. সর্বভারতীয় চাকরি ক্ষেত্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে গ্রুপ A পদে কর্মরত থাকেন।
২. সরকারি ব্যাঙ্কগুলির স্কেল V পদমর্যাদার আধিকারিক এবং উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
৩. রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, নাবার্ড এবং সিডবি’র গ্রেড- D আধিকারিক ও উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
৪. পাবলিক সেক্টর অধিগৃহীত সংস্থাগুলির বোর্ডের চিফ এগজিকিউটিভ ও এগজিকিউটিভ এবং অন্যান্য আধিকারিক, যারা E8- এ কর্মরত A এবং B তফশিলের অধীনে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে এমনকী E7- এ কর্মরত C এবং D তফশিলের অধীনে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
৫. জেনারেল ইন্সিয়োরেন্স কোম্পানির ম্যানেজার এবং উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
৬. লাইফ ইন্সিয়োরেন্স কর্পোরেশনের সিনিয়র ডিভিশনাল ম্যানেজার এবং উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
৭. যে সমস্ত আধিকারিক ডিএ প্যাটার্নে কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে ৮৭০০ টাকা মাসিক ভাতা বা তার বেশি উপার্জন করে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারে।
সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন তাদের সদর দপ্তর নিউ দিল্লি থেকে সমস্ত কার্য পরিচালনা করে থাকে। এর সমস্ত ক্ষমতা সিভিল কোর্টের সমান হয় এবং তার কাজ করার প্রক্রিয়া বিচারবিভাগীয় হয়। ভিজিল্যান্স ও দুর্নীতি বিরোধী কার্যকলাপ রোধের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার বা তার অথরিটির নিকট হতে তথ্য ও রিপোর্ট চাইতে পারে। সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশন তার তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে যে কোনো সুপারিশ প্রদান করতে পারে এবং কেন্দ্রীয় সরকার এই সুপারিশ গ্রহণে বাধ্য থাকবে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই সুপারিশ নাও মানতে পারে এবং তার জন্য সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনকে লিখিত কারণ জানাতে বাধ্য থাকবে। প্রতি বছর সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনকে তাদের ক্রিয়াকলাপের রিপোর্ট রাষ্ট্রপতিকে জমা দিতে হয় যা রাষ্ট্রপতি সংসদের উভয়কক্ষে পেশ করে থাকে।
মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার:
কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত দপ্তর বা মন্ত্রকের অধীনে একজন মুখ্য ভিজিল্যান্স অফিসার থাকে। তিনি একদিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক বা দপ্তরের সঙ্গে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক বা দপ্তরের সঙ্গে সিবিআই - এর যোগাযোগ স্থাপন করে।
মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনারের কাজ :
১. সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা মন্ত্রকের কর্মীদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করা।
২. অভিযোগ যাচাইয়ের জন্য তদন্ত করতে পারে।
৩. সংশ্লিষ্ট নিয়মানুবর্তিত আধিকারিককে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে পারে।
৪. প্রয়োজন পড়লে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিশনকে বিভিন্ন তথ্য সরবরাহ করতে পারে বিভিন্ন উপদেশ প্রদানের জন্য।
উইসেল ব্লোয়ার অ্যাক্ট (২০১১):
২০১০ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে অভিযোগ গ্রহণের জন্য পদ্ধতি স্থাপন করার জন্য সংসদে 'The Public Interest Disclosure and Protection to persons making the Disclosure Bill', 2010 পেশ করা হয় এটি উইসেল ব্লোয়ার অ্যাক্ট নামে পরিচিত যা ২০১৪ সাল থেকে কার্যকর হয়।
বৈশিষ্ট : —
১. এই আইনের মাধ্যমে অভিযোগকারী ব্যক্তি যাকে ‘উইসেল ব্রোয়ার’ হিসাবে অভিভূত করা হয়েছে তাকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে।
২. এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি সহজেই অভিযোগ জানাতে পারে এবং তার জন্য কোথাও তাকে নিজস্ব পরিচয় প্রকাশ করতে হবে না। তবে ভুল তথ্য সরবরাহের জন্য ২ বছর জেল বা ৩০,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
৩. অভিযোগকারীকে তথ্যের শেষে জানাতে হবে তার দাখিল করা অভিযোগপত্র এবং প্রমাণ সঠিকভাবে প্রদান করা হয়েছে।
৪. অভিযোগ ইমেল বা চিঠির মাধ্যমে প্রদান করা যাবে সঙ্গে সহযোগী ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
৫. এই আইন প্রধানমন্ত্রী এবং পূর্ব পদে থাকা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুরক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
● ভারতের বর্তমান মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার সুরেশ এন প্যাটেল।
বৈশিষ্ট : —
১. এই আইনের মাধ্যমে অভিযোগকারী ব্যক্তি যাকে ‘উইসেল ব্রোয়ার’ হিসাবে অভিভূত করা হয়েছে তাকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়ে থাকে।
২. এর মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি সহজেই অভিযোগ জানাতে পারে এবং তার জন্য কোথাও তাকে নিজস্ব পরিচয় প্রকাশ করতে হবে না। তবে ভুল তথ্য সরবরাহের জন্য ২ বছর জেল বা ৩০,০০০ টাকা জরিমানা হতে পারে।
৩. অভিযোগকারীকে তথ্যের শেষে জানাতে হবে তার দাখিল করা অভিযোগপত্র এবং প্রমাণ সঠিকভাবে প্রদান করা হয়েছে।
৪. অভিযোগ ইমেল বা চিঠির মাধ্যমে প্রদান করা যাবে সঙ্গে সহযোগী ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।
৫. এই আইন প্রধানমন্ত্রী এবং পূর্ব পদে থাকা প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সুরক্ষা গ্রুপের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
● ভারতের বর্তমান মুখ্য ভিজিল্যান্স কমিশনার সুরেশ এন প্যাটেল।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন for "সেন্ট্রাল ভিজিলান্স কমিশন: (Central Vigilance Commission)."