জীবাণু | ব্যাকটেরিয়া | ছত্রাক | প্রোটোজোয়া (Germs, Bacteria, Fungi, Protozoa):
১. জীবাণু কাকে বলে?
উঃ- অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীবদের মাইক্রো বা জীবণু বলে।
২. জীবাণু কয় প্রকার ও কি কি?
উঃ- জীবাণু তিন প্রকার, যথা- ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও প্রোটোজোয়া।
৩. ব্যাকটেরিয়া কাকে বলে?
উঃ- সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিহীন, কোষপ্রাচীর যুক্ত, সাধারণত ক্লোরোফিল বিহীন, এককোষী ও সরল আণুবীক্ষণিক জীবদের ব্যাকটেরিয়া বলে।
৪. ব্যাকটেরিয়া কত ধরনের হয় ও কি কি?
উঃ- ব্যাকটেরিয়া দুই ধরনের হয়, যথা- উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও অপকারী ব্যাকটেরিয়া।
৫. কয়েকটি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম লেখ?
উঃ- ল্যাক্টোব্যাসিলাস, রাইজোবিয়াম।
৬. কয়েকটি উপকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম লেখ?
উঃ- ভিব্রিও কেলেরি, মাইকোব্যাটটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস, মাইকোব্যাটটেরিয়াম লেপ্রি, সালমোনেলা টাইফোসা।
৭. ভিব্রিও কেলেরি কি রোগ ছড়ায়?
উঃ- কলেরা রোগ ছড়ায়।
৮. যক্ষা রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
উঃ- মাইকোব্যাটটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস।
৯. কুষ্ঠ রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
উঃ- মাইকোব্যাটটেরিয়াম লেপ্রি।
১০. টাইফয়েড রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম কি?
উঃ- সালমোনেলা টাইফোসা।
১১. ছত্রাক কাকে বলে?
উঃ- আদর্শ কোষযুক্ত ক্লোরোফিলবিহীন পরভোজী পুষ্টিসম্পন্নকারী সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদের ছত্রাক বলে।
১২. পাকসিনিয়া কি ধরনের ছত্রাক?
উঃ- পরজীবী ছত্রাক।
১৩. লাইকেন কি ধরনের ছত্রাক?
উঃ- মিথোজীবী ছত্রাক।
১৪. ছত্রাক কয় ধরনের ও কি কি?
উঃ- ছত্রাক দুই ধরনের, যথা- উপকারী ছত্রাক এবং উপকারী ছত্রাক।
১৫. কতকগুলি উপকারী ছত্রাকের নাম লেখ?
উঃ- পেনিসিলিয়াম, ইস্ট।
১৬. কতকগুলি অপকারী ছত্রাকের নাম লেখ?
উঃ- অ্যাসপারজিলাস, পাকসিনিয়া গ্রামিনিস ট্রিটিসি।
১৭. কোন ছত্রাক থেকে এন্টিবায়োটিক ওষুধ তৈরি হয়?
উঃ- পেনিসিলিয়াম নোটেটাম, পেনিসিলিয়াম ক্রাইসোজেনাম।
১৮. পেনিসিলিন কে আবিষ্কার করেন?
উঃ- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।
১৯. পেনিসিলিন কি থেকে তৈরি হয়েছে?
উঃ- পেনিসিলিয়াম নোটেটাম।
২০. কোন ছত্রাক থেকে অ্যালকোহল উৎপন্ন করা হয়?
উঃ- পেনিসিলিয়াম প্যাটুলাম।
২১. ইস্ট কি?
উঃ- ইস্ট একপ্রকার এককোষী মৃতজীবী ছত্রাক। এরা সাধারণত দ্রাক্ষা শর্করা দ্রবণে, ফলের রসে, ফুলের মকরন্দ এককোষী, মৃতজীবী রূপে জন্মায়।
২২. আলফা টক্সিন কোন ছত্রাক থেকে উৎপন্ন হয়?
উঃ- অ্যাসপারজিলাস থেকে।
২৩. গমের গাছের কাণ্ড ও পাতায় মরিচা রোগের জন্য কোন ছত্রাক দায়ী?
উঃ- পাকসিনিয়া গ্রামিনিস ট্রিটিসি।
২৪. প্রোটোজোয়া কাকে বলে?
উঃ- আদর্শ ও সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াসযুক্ত এককোষী আণুবীক্ষণিক প্রাণীদের প্রোটোজোয়া আদ্যপ্রাণী বলে।
২৫. প্রোটোজোয়া কয় রকমের ও কি কি?
উঃ- প্রোটোজোয়া দুই রকমের, যথা- প্যাথোজেনিক (রোগ সৃষ্টিকারী), নন-প্যাথজেনিক(রোগ সৃষ্টি করে না)।
২৬. এন্টামিবা কোন রোগ সৃষ্টি করে?
উঃ- আমাশা রোগ সৃষ্টি করে।
২৭. ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটোজোয়ার নাম কি?
উঃ- প্লাসমোডিয়াম।
২৮. ঘুম রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটোজোয়ার নাম কি?
উঃ- ট্রাইপ্যানোসোমা।
২৯. উদারাময় রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটোজোয়ার নাম কি?
উঃ- জিয়ার্ডিয়া।
৩০. কালাজ্বর সৃষ্টিকারী প্রোটোজোয়ার নাম কি?
উঃ- লিসমেনিয়া।
৩১. প্লাসমোডিয়াম কি?
উঃ- প্লাসমোডিয়াম এক প্রকারের এককোষী রোগ সৃষ্টিকারী প্রোটোজোয়া।
৩২. ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টিকারী পতঙ্গের নাম কি?
উঃ- স্ত্রী এনোফিলিস মশা।
৩৩. প্লাসমোডিয়াম কয় প্রকার ও কি কি?
উঃ- প্লাসমোডিয়াম চার প্রকার, যথা- প্লাসমোডিয়াম ফাইভ্যাক্স, প্লাসমোডিয়াম ফ্যালসিপেরাম, প্লাসমোডিয়াম ম্যালেরি, প্লাসমোডিয়াম ওভেল।
৩৪. কে প্রথম ম্যালেরিয়ার জীবাণু আবিষ্কার করেন?
উঃ- ল্যাভেরান (১৮৮০).
৩৫. রোনাল্ড রস কত সালে নোবেল পান?
উঃ- ১৯০২ সালে।
৩৬. রোনাল্ড রস কোন কাজের জন্য নোবেল পান?
উঃ- ম্যালেরিয়া রোগ বিস্তারের মশকীর ভূমিকা নির্ণয় করার জন্য।
৩৭. এন্টামিবা কি?
উঃ- এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা মানবদেহের বৃহদন্ত্রের বসবাসকারী এক প্রকার এককোষী অন্তঃপরজীবী।
৩৮. এন্টামিবা কোন রোগ সৃষ্টি করে?
উঃ- উদরাময়, আমাশয়, লিভার অ্যাবসেস, হেপাটাইটিস।
৩৯. এন্টামিবা আক্রান্ত রোগীকে কি বলা হয়?
উঃ- অ্যামিবিয়েসিস।
৪০. এন্টামিবার কয়টি দশা লক্ষ্য করা যায়?
উঃ- তিনটি, যথা- ট্রোফোজয়ট দশা, প্রিসিস্ট দশা, সিস্টিক দশা। এদের মধ্যে সিস্টিক দশা সংক্রামক।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন for "জীবাণু | ব্যাকটেরিয়া | ছত্রাক | প্রোটোজোয়া (Germs, Bacteria, Fungi, Protozoa):"